শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়াস্থ ৮-এপিবিএনের (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ। এর আগে, শুক্রবার ভোরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের লম্বরী এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত কিশোররা হলো- টেকনাফের ক্যাম্প-১৩ এর ইলিয়াসের ছেলে সৈয়দ নুর, একই ক্যাম্পের সোনা মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ হাসান ও মো. তাহেরের ছেলে আনিসুর রহমান।
.png)
আটককৃতরা হলেন- টেকনাফ এলাকার নুরুল আমিন, মো. ফয়সাল, শফিকুল, সাইফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান,আব্দুর রহমান, মোহাম্মদ পারভেজ এবং রোহিঙ্গা মো. মোবারক ও মো. আমিন।
সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, গত ২ জুলাই একটি অপরাধী চক্র কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ক্যাম্প-১৩ থেকে মোহাম্মদ হাসান, আনিসুর রহমান ও নুর আলমকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের আটকে রেখে স্বজনদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। এদিকে, গত ৬ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে একই অপরাধী চক্র একই কায়দায় ক্যাম্প-১৩ ও আশপাশের এলাকা থেকে সৈয়দ নূর, সৈয়দুল মোস্তফা, ওসমান, রিমন, কামাল মোস্তফা ও হারেছকে অপহরণ করে টেকনাফ নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, অপহরণের বিষয়টি জানার পর শুক্রবার অভিযান চালিয়ে টেকনাফের দক্ষিণ লম্বরী পাড়া দুর্গম স্থানের সুপারি বাগানের ভেতর থেকে অপহৃত ৩ কিশোরকে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে উখিয়ার কুতুপালং এবং টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই রোহিঙ্গাসহ ৯ অপহরণকারীকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, চক্রের সদস্যরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্নজনকে নির্জন স্থানে নিয়ে আটক রাখে। পরে তাদের চোরাইপথে নৌকাযোগে মিয়ানমারের শামিলা এলাকায় পাঠিয়ে দেয়। এরপর তারা অপহৃতদের স্বজনদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের মুক্তিপণ আদায় করে।