বৃহস্পতিবার নগরের আলমাস সিনেমা হল এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।
চসিক মেয়র বলেন, কোরবানির ঈদের ৮০ শতাংশ বর্জ্য বিকেল সাড়ে তিনটার মধ্যে অপসারণ করা হয়েছে। নগরীর সমস্ত কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ৪৭০০ সেবক আর ৩৪৫টি ট্রাক নিয়ে কাজ করা হয়েছে।
.png)
তিনি বলেন, নগরীতে অনেকে দুপুর ২টার পর কোরবানি দেন, আবার কিছু প্রান্তিক এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন। তবে সব কিছু ছাঁপিয়ে নগরীর সব অলি-গলি সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে পরিষ্কার করা হয়েছে।
এ সময় মেয়রের সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, চসিক বর্জ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর মোবারক আলী, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, আবদুস সালাম মাসুম, পুলক খাস্তগীর, মেয়রের একান্ত সচিব ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আকবর আলী, নির্বাহী প্রকৌশলী মির্জা ফজলুল কাদের, তৌহিদুল হাসান, মশক নিধন কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম, সহকারী প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন রিফাত, অনিক দাশগুপ্তসহ চসিকের কর্মকর্তারা।