সিসিক মেয়র বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কোরবানির পশুর হাট ও পশু জবাইয়ের বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। এজন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। নগর পরিচ্ছন্নতায় ১০টি টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও নগরবাসীর সহযোগিতায় দ্রুত সময়ে আমরা সিলেট নগরকে পরিচ্ছন্ন করে তুলবো। এ সময় তিনি নগরবাসীকে কোরবানির পশুর বর্জ্য বাসা-বাড়ির আশপাশের ড্রেনে কিংবা নদীতে না ফেলার অনুরোধ করেন।
.png)
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে কিংবা বাসার সামনে সংরক্ষণ করবেন এবং সিসিকের পরিচ্ছন্ন শাখায় যোগাযোগ করবেন।
সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও নগর পরিচ্ছন্নতায় ৩২০০ কর্মী কাজ করবেন। এছাড়া, সুষ্ঠুভাবে বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন করতে সিসিকের বিশেষ মনিটরিং টিম মাঠে থাকবে। বর্জ্য অপসারণের পরপর জীবাণুমুক্তকরণে নগরজুড়ে জীবাণুনাশক ওষুধ ছিটানো ও স্প্রে করা হবে।
নগর পরিচ্ছন্নতার কাজে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মতিউর রহমান খান, সিসিকের সম্পত্তি কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দেব, নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক, সহকারী প্রকৌশলী মো. জসীম উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সোবহান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।