চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহত রুবেল সদর উপজেলার শংকরচদ্র ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের ইয়ামিন শেখের ছেলে।
এ ঘটনায় সোহাগ আলী (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তিনি একই গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
.png)
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল মামুন জানান, মঙ্গলবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টার দিকে অভিযুক্ত সোহাগ আলী ভ্যানচালক রুবেলকে দশমাইল বাজারে ভাড়ায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বের হন। এ সময় প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে কুতুবপুর মর্তুজাপুর গ্রামের মাঠের ভেতর নিয়ে যেয়ে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে রুবেলকে হত্যা করেন সোহাগ। হত্যাকাণ্ড শেষে মাঠের একটি খেজুর বাগানের ভেতর তার মরদেহ গামছা ও ঘাস দিয়ে ঢেকে রাখেন। পরে ভ্যানটি নিয়ে ঝিনাইদহের ডাকবাংলা বাজারে বিক্রি করতে যান তিনি।
সেখানে বিক্রেতার বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে একপর্যায়ে ধরা খেতে হবে বুঝতে পেরে ভ্যানটি ফেলে রেখে কৌশলে পালিয়ে যান এবং পাখিভ্যানটি নিতে আর আসেন না। পরে পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে যায় এবং পাখিভ্যানের গায়ে লিখিত মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে রাতেই সোহাগকে আটক করে পুলিশ।
তিনি আরো জানান, আটক সোহাগ বুধবার ভোরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে জানান, তিনি পাখিভ্যানটি নেয়ার উদ্দেশ্যে একাই রুবেলকে হত্যা করেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।