সোমবার (২৬ জুন) সিরাজগঞ্জ আদালতে মামলাটি করেন ঐ কলেজছাত্রী। এর আগে গত ২২ জুন রাতে ঐ ভুক্তভোগীর ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
মামলার আসামিরা হলো, সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের মেরাজ উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, বাবু মন্ডল ও টুটুল মন্ডল।
.png)
মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তোভুগী ঐ কলেজছাত্রী কামারখন্দ উপজেলার ছাইফুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয়। পরে তাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় ২০২২ সালের ৮ অক্টোবর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তালাক হয়। তারপর থেকে তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করে লেখাপড়া করতে থাকেন।
কলেজে যাওয়া আসার সময় মেরাজ উদ্দিন বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিতেন। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ২২ জুন রাতে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তিনি রাত ১২টা দিকে কৌশলে ঐ কলেজছাত্রীর ঘরে ঢুকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করেন। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে মেরাজকে আটক করেন।
২৩ জুন স্থানীয়দের সালিশ বৈঠকের সময় বিয়ে দিতে রাজি হয় মেরাজের পরিবার এবং ২৪ জুন বিয়ের দিন ধার্য করা হয়। পরে ঐ দিন বিয়ের কথা বললে তার পরিবার বিয়ে দিতে অস্বীকার করেন। এমতাবস্থায় কোনো উপায় না পেয়ে মেরাজ ও তার বাবাসহ চারজনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন ঐ কলেজছাত্রী।
মঙ্গলবার দুপুরে সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, আদালতের তদন্তের কোনো কপি এখনো পায়নি। পেলে দ্রুত প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।