মৃত খালেদা বেগম ওই এলাকার মফিজুল ইসলামের স্ত্রী।
এলাকাবাসী জানায়, খালেদা বেগমের অসহ্য পেটব্যথা হতো। তার স্বামী স্থানীয় আবলার বাজারে চায়ের দোকান করে সংসার চালান। সাংসারিক জীবনে তাদের তেমন কোনো অশান্তি ও ঝগড়াঝাটি ছিল না। তবে টাকার অভাবে স্ত্রীর সঠিকভাবে চিকিৎসা করাতে পারতেন না হতদরিদ্র স্বামী মফিজুল।
.png)
সোমবার ফজরের পরেই তার স্বামী দোকান খুলতে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পরে ছেলে ও মেয়েরা সকালের নাশতা করতে বাবার দোকানে যায়। এরই ফাঁকে নিজ ঘরে রশিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন খালেদা। নাশতা খেয়ে তার দুই মেয়ে এসে ঝুলে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে বাবাকে খবর দেয়। পরে এলাকাবাসী এসে পুলিশকে খবর দেয়।
মহিষখোচা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নুর আলম বলেন, তাদের পারিবারিকভাবে অশান্তি ও ঝগড়ার কোনো ঘটনা কখনো শোনেননি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে বিভিন্ন রোগে দীর্ঘদিন ধরে খালেদা অসুস্থ থাকায় পেটব্যথা সহ্য করতে না পেরেই আত্মহত্যা করেছেন।
আদিতমারী থানা ওসি মোজাম্মেল হক বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।