ওই কলেজছাত্রীর নাম রোকসানা। সদর থানা পুলিশ মৃত রোকসানা ও নবজাতকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
মৃত রোকসানা জামালপুর সদর উপজেলার গান্দাইল গ্রামের আব্দুল রাজ্জাকের মেয়ে। তিনি জামালপুর জেলার স্থানীয় একটি কলেজ থেকে এ বছর পাস করেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কলেজছাত্রীর পরিবার।
.png)
থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে তথ্য গোপন করে মধুপুর হাসপাতালে গর্ভপাত করার সময় রক্তক্ষরণ শুরু হয় রোকসানার। পরে সেখান থেকে রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রোকসানাকে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর থেকে অজ্ঞাত ওই প্রেমিকের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
রোকসানার মা ফাতেমা বেগম বলেন, আমার মেয়ের বিয়ে হয়নি, অথচ সে প্রেম করে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়। পরিবারের কাউকে বিষয়টি জানায়নি। গতকাল মার্কেটিংয়ের চাকরির কথা বলে বাসা থেকে বেড়িয়ে যায়। পরে পুলিশ মোবাইল করে জানায় আমার মেয়ে মারা গেছে। এখন যে আমার মেয়ের এই সর্বনাশ করছে তার শাস্তি চাই।
নিহতের বোন জামাই জানায়, গতকাল রাতে মধুপুর হাসপাতালে গর্ভপাত করার সময় রক্তক্ষরণ হয়। পরে সেখান থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠালে তার মৃত্যু হয়। এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আতিকুর রহমান জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. একেএম হাবিবুল্লাহ বাহার বলেন, অজ্ঞাত পরিচয় দিয়ে হাসপাতালে লাশ আনা হয়। পরে পরিবার এসে লাশ শনাক্ত করেছে। লাশ মর্গে আছে, ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।