পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খুলনা সোনাডাঙ্গা থানায় অপহরণ মামলা করতে যান। তবে আত্মগোপন করেছে জানিয়ে পুলিশ তাদের মামলা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।
তার চাচাতো ভাই গৌতম মন্ডল জানান, রোববার দুপুরের পর থেকে তাকে পাচ্ছিলাম না। তার ব্যবহৃত মোবাইলে কল দিলে রিং হচ্ছিল কিন্তু রিসিভ করছিল না। একপর্যায়ে রাতে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তখন আমরা পুলিশকে অবহিত করি।
.png)
তার ভাইকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, সন্ধ্যার দিকে তার ভাইয়ের (বনমালী) নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটা ম্যাসেজ এসেছিল। সেখানে লেখা ছিল, ‘বিকেল ৪.৩০ থেকে কারা যেন আমার চোখ বেঁধে আটকে রাখছে। ..... আমি বিপদে আছি।’
তিনি আরও বলেন, হোয়াটসঅ্যাপের ম্যাসেজ সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশকে দেখিয়ে অপহরণ মামলা করতে চাইলে আত্মগোপন করেছে জানিয়ে পুলিশ আমাদের মামলা নেয়নি।
তবে সোনাডাঙ্গা থানার এসআই মুক্তা বলেন, আমি গতকাল সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত থানায় ডিউটিরত ছিলাম। এ সময়ের মধ্যে কেউ মামলা করতে আসেনি।
খুলনা রেলওয়ে পুলিশের এসপি মো. রবিউল হাসান বলেন, রেলস্টেশনের পশ্চিম পাশে মরদেহটি পড়ে ছিল। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। হত্যা নাকি আত্মহত্যা এখনই বলা যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।