রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে, শনিবার ভোরে নিজ বাড়ি থেকে মায়ের সঙ্গে দেখা করে বের হয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করে গণপিটুনি দেন স্থানীয়রা। মৃত বাদশা রাজগঞ্জ ইউনিয়নের টঙ্গীরপাড় গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে।
জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের পর পলাতক বাদশা শনিবার (২৪ জুন) ভোরে তার বাড়িতে আসেন। পরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা তাকে ধরে গণপিটুনি দেন। খবর পেয়ে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাতে মারা যান বাদশা।
.png)
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, এ ঘটনায় আবদুর রব আবুল নামে আরো এক আসামিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দিও দিয়েছেন তিনি।
ওসি আরো বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১০ জুন সকালে বেগমগঞ্জ রাজগঞ্জ ইউনিয়নের টঙ্গীর পাড় গ্রাম থেকে মাছ ব্যবসায়ী দুলাল চন্দ্র দাসের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত দুলাল চন্দ্র দাস একই গ্রামের পরেশ চন্দ্রা দাসের ছেলে। এর আগের দিন রাতের কোনো এক সময় ওই গ্রামের একটি পুকুর পাড়ে চেয়ারে বসা অবস্থায় দুলালকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।