সোমবার ভোরে রাজশাহী জেলার গাদাগাড়ীতে অভিযান চালিয়ে এগুলো উদ্ধার করা হয়। প্রায় ২ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় ঐ সিন্দুক ভাঙে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ টিম। আটককৃত জিয়ারুল ইসলাম গোদাগাড়ী পৌর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কসাইপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে।
জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি জানান, গোদাগাড়িকে মাদকের রুট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মাদকের বড় চালান এসেছে- এমন তথ্যে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গিয়ে পুলিশ একটি সিন্দুক সম্পর্কে জানতে পারে। এ সময় জিয়ারুলের কাছে সিন্দুকের চাবি চাইলে তিনি বলেন- এটা অনেক আগের সিন্দুক। তার কাছে কোনো চাবি নেই। পরে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ টিম এসে ২ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় সিন্দুকটি ভাঙতে সক্ষম হয়।
.png)
পুলিশ সুপার আরো জানান, অভিযানে সিন্দুক থেকে সাড়ে সাত কেজি হেরোইন, ১৮ বোতল ফেনসিডিল, হেরোইন বিক্রির ২৪ লাখ ৫০ হাজার নগদ টাকা এবং ২৫৮ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হেরোইনের মূল্য আনুমানিক সাড়ে সাত কোটি টাকা এবং স্বর্ণালংকারের মূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা।
তিনি জানান, অভিযানের প্রথম পর্যায়ে জিয়ারুলের বাড়ি তল্লাশি করে ৫০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জিয়ারুল জানান- তিনি দীর্ঘদিন ধরে হেরোইনের ব্যবসা করেন। সীমান্ত থেকে বাহকের মাধ্যমে হেরোইন এনে বাড়িতে মজুত এবং সুবিধামতো সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেন। আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ আরো কয়েকটি ধারায় মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।