উপকারভোগীরা দুই কেজি করে মশুর ডাল ও দুই লিটার সয়াবিন তেল পাচ্ছেন। মশুর ডাল ৭০ টাকা কেজি ও সয়াবিন তেল ১০০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করা হয়।
টিসিবির পণ্য হাতে পেয়ে কাদের মিয়া জানান, বর্তমান বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য অনেক বেশি। এই ঊর্ধ্বগতি বাজারে স্বল্প মূল্যে তেল ও ডাল পেয়ে অনেক খুশি।
.png)
উপকারভোগী রোজিনা ও ফুলচাঁন বেগম জানান, সরকার নিম্ন আয়ের মানুষের কথা চিন্তা করে এই স্বল্প মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে অনেকটায় উপকার করেছে। এ সময় তারা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মোশারফ হোসেন বলেন, সদর উপজেলার স্বল্প আয় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। পৌরসভায় ৪ হাজার ৯৫২ জনসহ সদর উপজেলায় ১৬ হাজার ৬১৮ জন নিম্ন আয়ের উপকারভোগীদের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে এ টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। আজ পৌরসভার সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর, কালভৈরব, কারখানাঘাট আনন্দবাজার ও শেরপুর ঈদগাহ মাঠে চারটি স্থানে এই টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, স্বল্প আয়ের মানুষের টিসিবির পণ্য অনেকটায় সহযোগিতা হবে। আজ দুই কেজি তেল ও দুই কেজি ডাল দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া চিনির বরাদ্দ না থাকায় চিনি দেওয়া হচ্ছে না। পরে পর্যায়ক্রমে সদর উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হবে।
তিনি বলেন, টিসিবির পণ্য বিক্রি করায় বাজার স্থিতিশীল থাকবে। টিসিবির পণ্য নিয়ে কেউ যেন কোনো রকম দুর্নীতি করতে না পারে সেজন্য আমাদের মনিটরিং অব্যাহত থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন।