মৃত সুখী খাতুন উপজেলার সদর ইউনিয়নের নেহেন্দা গ্রামের একরামুল হকের মেয়ে এবং নিয়ামতপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সুখী খাতুনের মা তাসলিমা বেগম দেখেন তার মেয়ে ঘুমের ও গ্যাসের বড়ি খেয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। ডাক্তার তাকে বাঁচানোর অনেক চেষ্টা করেন। অবশেষে বুধবার সকাল ১০টার দিকে চিকিৎসক সুখী খাতুনকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে থানায় সংবাদ দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। তবে আত্মহত্যার সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
.png)
নিয়ামতপুর থানার ওসি আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। মরদেহের সুরতহাল হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।