জানা যায়, দেউলডাংরা গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে মো. জুবায়েল আহম্মেদের সঙ্গে একই এলাকার এক তরুণীর দীর্ঘদিন প্রেম চলছিল। এরইমধ্যে ঐ তরুণীর ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি হলে সেখানেই বাসা বাড়া নিয়ে বসবাস করেন। ঐ বাসায় নিয়মিত যাওয়া-আসা করতেন জুবায়েল। বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করে প্রেমিকাকে। পরবর্তীতে জুবায়েলের একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি হয়। পরে মেয়ে পক্ষ থেকে বিয়ের চাপ দিলে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান জুবায়েল।
এ অবস্থায় সামাজিকভাবে দরবার ডাকেন মেয়ের বাবা। দরবারে ছেলে ও মেয়ে পক্ষের পরিবারের লোকজনের সামনে আট লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে শনিবার রাতে বিয়ের সময় নির্ধারিত হয়। কনের বাবা বিয়ের গেটসহ ৪০০ মেহমানের জন্য আয়োজন সম্পন্ন করেন। রাত ১০টার মধ্যে বরযাত্রী যাওয়ার কথা থাকলেও বিলম্ব হচ্ছিল। এর কিছুক্ষণ পর খবর আসে বরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত বরের মা এসে জানিয়ে দেন- ছেলে নিখোঁজ হওয়ায় এই বিয়ে হবে না। কনের পরিবারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে চলে যান তিনি।
.png)
তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ের আসর থেকে কনে পরিবার ও স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে থানায় এসে বরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় বরের মা-বাবাসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করেন কনে ।
নান্দাইল থানার ওসি রাশেদুজ্জামান জানান, অভিযোগের পরদিন পুলিশ পাঠিয়ে দু’পক্ষকে এক সঙ্গে বসিয়ে আলোচনা সাপেক্ষে বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।