এক মণের কাঁঠাল দেখতে ভিড়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার হাট-বাজারে মৌসুমী ফল কাঁঠাল বিক্রি শুরু হয়েছে। এখানকার কাঁঠাল মিষ্টি রসালো। ফলে এর চাহিদাও রয়েছে বেশ ভালো। এদিকে পৌর শহরের সড়ক বাজার এলাকায় বেশ কয়েকটি বড় আকৃতির কাঁঠাল উঠেছে। এর মধ্যে একটি কাঁঠালের ওজন রয়েছে প্রায় ১মণ। ওই কাঁঠালটি দেখার জন্য ভিড় করেছে উৎসুক জনতা।
বিক্রেতা সিলেম খন্দকার জানান, ৩০ কেজি ওজনের দুটি কাঁঠাল বিক্রি হয়েছে ১২৩৯ টাকায়। বড় আকৃতির কাঁঠালটি ১৫শ টাকা দাম হাঁকাচ্ছেন তিনি। কাঙ্খিত দাম পাওয়া গেলে বিক্রি করবেন তিনি।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, এখানকার কাঁঠাল পাকাতে কোনো প্রকার রাসায়নিক কেমিক্যাল দেওয়া হয় না। স্বাভাবিক ভাবে পাকার পর তা বাজারজাত করা হচ্ছে। এদিকে সড়ক বাজার এলাকায় এক ব্যবসায়ী বেশ কয়েকটি কাঁঠাল বিক্রি করতে নিয়ে আসেন। এর মধ্যে প্রায় ১ মণ ওজনের একটি, ৩০-৩৬ কেজি ওজনের ৫টিসহ বেশ কয়েকটি ছোট ও মাঝারি কাঁঠাল রয়েছে।
কাঁঠাল বিক্রেতা সেলিম খন্দকার জানান, তিনি মৌসুম অনুযায়ী ফল বিক্রি করে থাকেন। পৌর শহরের দুর্গাপুর রেলওয়ে গেট থেকে কাঁঠাল ক্রয় করেন। এর মধ্যে বড় আকৃতির একটি কাঁঠাল প্রায় ৩৮-৪০ কেজি ওজনের রয়েছে। তাছাড়া ৩০-৩৬ কেজি ওজনের রয়েছে ৫টি কাঁঠাল। ওইসব কাঁঠাল ক্রয় করে একটি অটোরিকশা দিয়ে সড়ক বাজারে আনা হয়। পরে অটোরিকশার থেকে কাঁঠালগুলো নামানো মুহূর্তে বড় আকৃতির এই কাঁঠালটি বাজারে আসা লোকদের নজর কেড়েছে। কাঁঠালটি দেখতে অনেকেই ভিড় করছেন।

ক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, এই কাঁঠালটি দেখে তার পছন্দ হওয়ায় ৬০০ টাকা দাম বলেছেন। কিন্তু বিক্রেতা এই দামে না দেওয়ায় তার আর কেনা হয়নি।
স্থানীয়রা বলেন, আসলে বাজারে ১মণ ওজনের কাঁঠাল সচরাচর দেখা যায় না। তাই কাঁঠালটি দেখতে এলাম। অনেকেই কাঁঠালের ছবি তুলছেন।
আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, কাঁঠালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি, ভিটামিন ই ও ক্যালসিয়াম ফলিক এসিড রয়েছে। পাকা কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণ আঁশ রয়েছে। পাকা কাঁঠাল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। উপজেলায় এবার কাঁঠালের ভালো ফলন হয়েছে। এখানকার কাঁঠাল মিষ্টি ও রসালো হওয়ায় কদরও রয়েছে ভালো।