মৃত সোনিয়া আক্তার (২৫) জেলা শহরের কান্দিপাড়া এলাকার ধন মিয়ার মেয়ে। ঘটনার পরপরই সোনিয়ার স্বামী রাসেল মিয়াসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
সোনিয়ার পিতা ধন মিয়া অভিযোগ করে জানান, গত ৭ বছর আগে একই এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়ার সঙ্গে সোনিয়ার বিয়ে হয়। কয়েক বছর তাদের দাম্পত্য জীবন ভালোই কাটে। তবে সোনিয়ার দুটি কন্যা সন্তান হওয়ার পর থেকেই রাসেল ও তার মা-বোনসহ পরিবারের লোকজন যৌতুকের জন্য তাকে প্রায়ই নির্যাতন করতেন।
.png)
তিনি আরো জানান, বিভিন্ন সময় তাদের যৌতুকের চাহিদাও মেটানো হয়েছে। সম্প্রতি রাসেল ফার্নিচারের ব্যবসা করার জন্য ফের দুই লাখ টাকা দাবি করেন। সোনিয়া সেই টাকা দিতে অস্বীকার করায় স্বামী রাসেল, তার মা রেহেনা বেগম, বোন সুমাইয়া ও ফারজানাসহ পরিবারের লোকজন শনিবার বিকেলে তাকে গলা টিপে পোকা মারার বড়ি খাইয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ফেলে রেখে চলে যান। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বামীসহ পরিবারে ৬ জনকে আসামি করে সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে ধন মিয়া জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে বিষপানেই ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা এজাহারের প্রক্রিয়াধীন। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। তবে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত হয়েছিলো কিনা এ বিষয়টিও তদন্ত করা হচ্ছে।