মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের বুরহানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ জানায়, আগামী শুক্রবার ঐ এলাকার গেদা মিয়া চৌধুরী ছেলে রাহিম চৌধুরীর বিয়েকে কেন্দ্র করে সরকারি পাকা সড়কের উপর গেট স্থাপন করা হয়। মঙ্গলবার সকালে একই এলাকার জাকির হোসেনের ভাগিনা তুহিন আহমেদের নেতৃত্বে কয়েস-শরীফসহ আট থেকে ১০ জন যুবক বিয়ের গেটের স্থানে যান। তারা জাকির হোসেনের বাড়ির সামনে গেট হওয়ায় তাদের মানহানি হয়েছে দাবি করে গেট ভাংচুর করে সরঞ্জাম তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাহিম চৌধুরীসহ পঞ্চায়েতের লোকজন ঘটনাস্থলে গেলে জাকির হোসেন ও তার লোকজন সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
.png)
একপর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের লোকজন অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকেন। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধসহ ২০ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে রয়েছেন হলেন- সৌদি প্রবাসী দিলাওর হোসেন, শামীম আহমদ, আকিনুর রহমদ, দিদার আহমদ, রহিমা খাতুন, সাজু আহমদ, আব্দুল হাদী, মাহের আহমদ, রাহিম চৌধুরী, শাহানুর মিয়া, ইমরান আহমদ, সোহেল আহমেদ, সেকুল মিয়া, তুহিন আহমেদ, হান্নান মিয়া, শরীফ আহমদ, সাইফুল মিয়া, গেদা মিয়া, আকবর আলী এবং রুহুউল্লাহ।
নবীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ ডালিম আহমেদ জানান, বিয়ের গেট স্থাপনকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের সিলেট ও নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ওসি আরো জানান, সংঘর্ষ চলাকালে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়া হয়েছে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।