বেশ কয়েকদিন থেকে আবার শুরু হয়েছে তীব্র তাপপ্রবাহ। এবারে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দেখছে জেলার মানুষ। সকাল থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা শুরু হয়ে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা দেখা মিলছে। এ পরিস্থিতিতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবন।
মরিচক্ষেতে কাজ করা দিনমজুর লতিফুর রহমান বলেন, এবারে মতো রোদ আর কখনো দেখিনি। মাঠে কাজ করলে শরীর পুড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। একটু কাজ করে আবার ছায়া যেতে হয়। বৃষ্টি হলে ভালো হতো।
.png)
ক্লান্ত হয়ে ছায়ায় বসে স্বস্তি খোঁজার সময় কথা হয় রিকশাচালক ইব্রাহিম আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, রাস্তায় কোনোভাবে গাড়ি চালানো যাচ্ছে না। শরীর ঝলসে যাওয়ার মতো অবস্থা। তবুও সংসার চালানোর জন্য বাইরে বের হওয়া। লোকজন আগের মতো বাইরে বের হয়না। গরমটা কমলে অনেকটা স্বস্তি পাওয়া যায়।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে হাসপাতালে রোগী সংখ্যা বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪০ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি।
ঠাকুরগাঁওয়ের পার্শ্ববর্তী জেলা পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা রাশেদ শাহ মুঠোফোনে বলেন, এ দুই জেলা শীতপ্রধান হলেও এবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দেখছে। কয়েক দফায় তীব্র তাপপ্রবাহের দেখা মিলেছে। আবার শুরু হয়েছে, যা আরো কয়েকদিন থাকতে পারে।