ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

হাট-বাজারে মৌসুমী ফলের ছড়াছড়ি

আতিকুর রহমান, ঝালকাঠি
প্রকাশিত: ০১:২৬, ৩১ মে ২০২৩
হাট-বাজারে মৌসুমী ফলের ছড়াছড়ি
ঝালকাঠিতে বিভিন্ন ধরনের মৌসুমী ফলের ছড়াছড়ি। ছবিটি শহরের কালীবাড়ি রোড থেকে তোলা। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঝালকাঠি জেলার চার উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও এলাকায় মৌসুমি ফলে ছেয়ে গেছে। দূর-দূরান্ত থেকে প্রথমে ট্রাকে তারপর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মাহেন্দ্র ও সিএনজি অটোরিকশা করে বাজারে আসছে নানান জাতের মৌসুমী ফল। 

বাজারের প্রধান সড়ক কালীবাড়ি রোড এখন মৌসুমি ফলের দখলে। প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় থাকে মুখরিত। 

সরেজমিন দেখা যায়, ঝালকাঠি বাজারের প্রধান সড়ক কালীবাড়ি রোডে লিচু, আম, কাঁঠাল, কলা, পেঁপেসহ নানা জাতের ফল। এরমধ্যে জমজমাট লিচুর বাজার। গাড়ি ভর্তি লিচু আসা মাত্রই ক্রেতা-বিক্রেতা আর পাইকারদের মাঝে শুরু হয় টানাটানি। 

Advertisement

একদিকে টানাটানি অন্যদিকে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে দোকানিদের মুখে শোনা যায় ‘গাছ পাকা মিষ্টি লিচু’ ‘বাজারের  সেরা মিষ্টি আম’ ইত্যাদি আকর্ষণীয় বুলি। বাজারে ফলের অভাব না থাকায় ক্রেতারাও দারুণ খুশি। 

একশ লিচু পাওয়া যাচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা দরে। আম প্রতি কেজি ৪০ টাকা থেকে শুরু করে ৭০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। 

লিচু বিক্রেতারা জানান, লিচু দেশীয় হলেও দাম ভালো পাচ্ছি। 

ফল ব্যবসায়ী রমজান জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ট্রাকে করে লিচু, আম, কাঠালসহ বিভিন্ন ধরনের মৌসুমী ফল আসে। সেখান থেকে আমরা পাইকারী কিনে খুচরা বাজারে বিক্রি করি। কেনার উপরে মোটামুটি লাভ হলেই বিক্রি করি। একদিকে যেমন গরম পড়েছে তাতে ফল দ্রুতই পেকে যাচ্ছে। অপরদিকে কাচামাল বেশি সময় রাখাও যায় না। এছাড়া আগে ফলে ফরমালিন দিয়ে পাঠাতো। বেশি দিন রেখে বিক্রি করতে পারতাম। এখন তো আর সেই ব্যবস্থাও নেই। তাই ফল আসার ২-৩ দিনের মধ্যেই বিক্রি করতে হয়।

ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম জানান, গতবারের তুলনায় এবার ফলন বেশি হয়েছে। তবে তীব্র গরমে সময়ের আগেই ফল পাকা শুরু করেছে। তাই নির্দিষ্ট সময়ের আগেই বাজার জমে উঠেছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: ঝালকাঠি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!