সোমবার বিকেলে চাঁদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী এ রায় দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রিপন সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের প্রধানিয়া বাড়ির নোয়াব আলী প্রধানিয়ার ছেলে।
.png)
জানা গেছে, আসামি রিপন প্রধানিয়া বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে ঐ স্কুলছাত্রীকে প্রেম নিবেদন ও কুপ্রস্তাব দিতেন। বিষয়টি ঐ ছাত্রী তারা বাবাকে জানান। তার বাবা রিপনকে এ ধরনের কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করেন। এতে তিনি আরো ক্ষিপ্ত হন।
২০২০ সালের ২৬ মে বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ঐ স্কুলছাত্রী নিজ এলাকা থেকে বের হয়ে একটি দোকানে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করতে যান। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা রিপন ও তার সহযোগিরা স্কুলছাত্রীকে একটি অটোরিকশায় জোরপূর্বক তুলে তার বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাকে কোমল পানীর সঙ্গে নেশা জাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে ধর্ষণ করেন।
মামলাটি তদন্ত করেন তৎকালীন চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই পলাশ বড়ুয়া। তিনি মামলাটি তদন্ত শেষে ঐ বছর ৩০ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট সাইয়েদুল ইসলাম বাবু জানান, মামলাটি গত ৩ বছর চলাকালীন সময়ে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালতে আসামির উপস্থিতিতে বিচরাক এ রায় দেন।