এরআগে শনিবার রাতে ভুক্তভোগী নারীর মা বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতারকৃত সাগর উপজেলার চন্ডীপুর ইউনিয়নের পূর্ব মাছিমপুর গ্রামের আরমগাজী বাড়ির সিরাজুল ইসলামের ছেলে। শনিবার রাতে তাকে এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
.png)
ভুক্তভোগীর স্বজন ও পুলিশ জানায়, সাগর ও ভুক্তভোগী নারী সম্পর্কে চাচাতো ভাই-বোন। সাগর সৌদিআরব থাকাকালীন প্রতিবন্ধী চাচাতো বোনের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতেন। পরে বাড়িতে আসার পর একাধিকবার সাগর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। তিন মাস পর পরিবার বুঝতে পারে, তাদের মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা। পরে বিষয়টি অভিযুক্তের মাকে জানানো হয়। এতে সাগর তাকে বিয়ের আশ্বাস দেন। কিন্তু পরে তিনি অন্যত্র বিয়ে করেন। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকালে ওই নারীর প্রসব ব্যথা উঠে। এতে প্রথমে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী নারী সন্তান জন্ম দেন। এতে ভুক্তভোগী নারীর মা বিচারের দাবিতে সাগরের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন।
তবে অভিযুক্ত সাগরের মা হাজেরা বেগম ছেলেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি বলেন, আমার ছেলে নির্দেোষ। মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তাকে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করানো হয়েছে।
রামগঞ্জ থানার ওসি এমদাদুল হক বলেন, মামলায় অভিযুক্ত সাগরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে লক্ষ্মীপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।