তার ছিঁড়ে শহর ও গ্রামগঞ্জের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুৎ না থাকায় জনসাধারণের দুর্ভোগ চরমে উঠে। পরে গভীর রাত পর্যন্ত প্রায় ৬ ঘণ্টা কাজ করার পর ভোররাতে বিদ্যুৎ লাইন সচল হয়।
ভেড়ামারায় তীব্র তাপদাহের পর হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টি যেন জনজীবনে স্বস্তি এনে দেয়। এতে কেটে গেছে গরমের তীব্রতা।
.png)
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই ঘোর অন্ধকার নিয়ে কালবৈশাখী হানা দেয়। শুরু হয় তুমুল ঝড়। ঝড়ো হাওয়ায় গাছপালা, ঘরবাড়ি ও বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। হার্ডিঞ্জ ব্রিজের অদূরে তালবাড়িয়া নামক স্থানে পদ্মা নদীর বালু মহলে কর্মরত একটি ট্রলার ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। বালুবোঝাই ঐ নৌকায় ৫/৬ জন শ্রমিকেরা সবাই নদী সাঁতরে তীরে এসে জীবন রক্ষা করেন।
বাহাদুরপুর ইউনিয়নের চর এলাকা নতুন রায়টা গ্রামের মো. কাউছার মিয়া বলেন, ঝড়ে আমার বসতবাড়ির ঘরসহ আশপাশের ৩/৪টি কাঁচাঘর ঝড়ে উড়ে গেছে। ভেঙে গেছে বহু গাছপালা।
উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সোহেল রানা পবন ও জুনিয়াদহ ইউনিয়মের চেয়ারম্যান হাসান জানান, সন্ধ্যার দিকে ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে শিলা বৃষ্টিসহ কালবৈশাখী ঝড় হানা দেয়। ঝড়ে কাঁচা ঘরবাড়ি ও গাছপালাসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাতে বন্ধ হয়ে যায় গোটা ইউনিয়নের বিদ্যুৎ সংযোগ। ঝড়-বৃষ্টি শেষে পরে বিদ্যুতের বিভাগের লোকজন রাতভর কাজ করে শুক্রবার ভোররাতের দিকে বিদ্যুৎ লাইন সচল করেন।