জানা গেছে, বুধবার সকাল পাঁচটার দিকে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডব শুরু হয়। মুহূর্তে গাছপালা উপড়ে পড়ে, আর এতে উপজেলার নদমুলা ও চরখালী গ্রামের শতাধিক ঘর গাছের নিচে চাপা পড়ে। চরখালী বিসমিল্লাহ চত্বরের বাজার লন্ডভন্ড হয়ে যায়। ঝড়ে উড়ে যায় বাজারের দোকানপাটের টিনের চালা।
এছাড়াও বেশ কিছু কলার ক্ষেত ও পানের বরজের লন্ডভন্ড হয়েছে। সকালে হঠাৎ ঝড় ও তুমুল বৃষ্টিতে মৌসুমি ফল আম, লিচু, কলা, মুগডাল, ভুট্টা, পানের বরজসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
.png)
নদমুল গ্রামের লিটু মিয়া বলেন, কিছু বুঝে উঠার আগে সকালে হঠাৎ ঝড়ে ঘরের বারান্দা উড়িয়ে নিয়ে কয়েকশ গজ দূরে ফেলে দেয়।
চরখালী গ্রামের মনসুর হোসেন বলেন, মাথা গোজার ঠাঁইটুকু ভেঙে গেল কালবৈশাখী ঝড়ে। এখন ছেলে-মেয়েদের নিয়ে থাকতে হবে রাস্তায়।
ভান্ডারিয়া উপজেলা ইউএনও সীমা রাণী ধরসহ উপজেলা চেয়ারম্যান ও স্থানীয় জনপ্রতিনিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন বলে জানান ইউএনও সীমা রাণী ধর।