বুধবার দুপুরে মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামীমা ইয়াসমীন অভিযুক্ত সালমান খান ও অন্তর পালকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও ৬ মাস করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।
অপরদিকে, একই অপরাধে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) জাকির হোসাইন অভিযুক্ত মেহেদী হাসান ও আশিকুর রহমানকে ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।
.png)
দণ্ডিতরা হলেন মধুপুর পৌরসভার কাইতকাই এলাকার শাহজাহান আলীর ছেলে সালমান খান, মধুপুর উপজেলা সদরের ঝন্টু পালের ছেলে অন্তর পাল, মেহেদী হাসান ফাহিম এবং পার্শ্ববর্তী ধনবাড়ী উপজেলার নরিল্যা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে আশিকুর রহমান। অভিযানকালে পর্নোগ্রাফির কাজে ব্যবহৃত ৬টি ল্যাপটপ, একটি কম্পিউটার এবং ১০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে মধুপুর পৌরসভার নয়াপাড়া মসজিদের পাশে সাইফুল ইসলামের বাসা ভাড়া নিয়ে গ্রেফতারকৃতরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে অর্থ আয়ের নামে পর্ণোগ্রাফি ও মাদক ব্যবসা চালাতো।
স্থানীয়রা জানান, মধুপুরে দীর্ঘদিন যাবত ইন্টারনেটে ফ্রিল্যান্সিং ব্যবসার নামে উঠতি বয়সের যুবকরা রাত জেগে অর্থ উপার্জনে মেতে ওঠে। মধুপুরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায়ও এ ব্যবসা ছড়িয়ে পড়েছে। রাতভর তাদের আনাগোনা স্থানীয়দের মাঝে সন্দেহের সৃষ্টি করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বাসায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মাদক ও পর্ণোগ্রাফি তৈরি চক্রের সদস্যরা ধরা পড়ে।
ইউএনও শামীমা ইয়াসমীন জানান, দণ্ডপ্রাপ্তরা ফ্রিল্যান্সিংয়ের নামে পর্ণোগ্রাফি তৈরি এবং মাদক সেবন ও মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে পর্ণোগ্রাফির কাজে ব্যবহৃত ৬টি ল্যাপটপ, একটি কম্পিউটার এবং ১০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ভাড়া নেয়া বাসার মালিক সাইফুল ইসলামের উপস্থিতিতে বাসাটি সিলগালা করে দেয়া হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।