ঘটনাটি ঘটেছে বরগুনা পৌর শহরের ব্যাংক কলোনি এলাকার ফজলুর রহমানের ভবনের দ্বিতীয় তলার ভাড়াটিয়া আলতাফ হোসেনের ফ্লাটে এ ঘটনা ঘটে। পরে পাশের একটি ভবনে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে ধরা পড়ে চুরির আগে-পরের দৃশ্য।
বৃহস্পতিবার রাতে পৌর শহরের ব্যাংক কলোনি এলাকার ফজলুর রহমানের ভবনের দ্বিতীয় তলার ভাড়াটিয়া আলতাফ হোসেনের ফ্লাটে এ ঘটনা ঘটে।
.png)
ফজলুর রহমানের ভবন ও পাশের ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেছে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১টা ২৭ মিনিট থেকে দুই ব্যক্তি আনাগোনা করছে ভবনের আশেপাশে। পরে রাত ২টা ২৭ মিনিটে দেখা যায় সামনের ভবনের একটি সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে। ড্রোনের মতো বস্তুও দেখা যায় উড়ে যেতে। ধারণা করা হচ্ছে, ড্রোনের মাধ্যমে চোরেরা দেখছেন আশেপাশে কেউ কোথাও আছে কি না। পাশাপাশি দুই ভবনের মাঝখানে জানালার গ্রিল ধরে সানশেডে উঠে ওই ভবনের দ্বিতীয় তলার বেলকনিতে গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে তারা। ৩টা ৪৬ মিনিটে চুরি করে ভবন থেকে যাওয়ার সময় এক চোরকে দেখা যায় নগ্ন অবস্থায় ও দুজনেই ছিল মুখোশ পরা।
ভুক্তভোগীরা জানান, স্ত্রী-সন্তানসহ মোট চার-পাঁচজনকে নিয়ে আলতাফ হোসেন ওই বাসার দোতলায় ভাড়া থাকেন। দোতলা এবং বারান্দায় লোহার গ্রিল থাকায় গরমে রাতে বারান্দার দরজা খোলা রেখে ঘুমাতেন তারা। ঘটনার দিন একই কারণে দরজা খোলা ছিল। এ সুযোগে বারান্দার গ্রিলের পাঁচটি লোহার রড কেটে ভেতরে ঢুকে চোরচক্র। গলা থেকে সোনার চেইন, ডিএসএলআর ক্যামেরা, দামি স্মার্ট ঘড়ি ও টাকা নিয়ে যায়।
ভবনের মালিক ফজলুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। বাসায় চুরির ঘটনায় শুক্রবার থানায় অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করা হয়েছে।
আলতাফ হোসেনের স্ত্রী মোসা. কাজল বলেন, হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে গলায় চেইন না দেখে স্বামীকে ডাকি। এরপর বলি ঘরে চোর ঢুকেছে। কিন্তু প্রথমে সে বিশ্বাস করেনি। ভাবে আমি কোনো স্বপ্ন দেখেছি। পরে দেখি গলা থেকে সোনার চেইন, ডিএসএলআর ক্যামেরা, দামি স্মার্ট ঘড়ি ও টাকা চুরি হয়েছে।
বরগুনা সদর থানার ওসি আলী আহম্মেদ জানান, এ ঘটনায় ভবনের মালিক থানায় মামলা করেছেন। দ্রুত চোরদের শনাক্ত করা হবে।