শনিবার দুপুরে সয়দাবাদ ইউনিয়নের জারিলা গ্রামে আহত জাকারিয়ার বাড়িয়ে গেলে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। আহত স্কুলছাত্রীর বাবা জাকারিয়া এখন চিকিৎসাধীন।
আহত জাকারিয়ার শাশুড়ি রোকেয়া খাতুন জানান, আমার নাতনি স্থানীয় স্কুলের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী। প্রায় ১ বছর ধরে সে স্কুল ও রাস্তায় বের হলে তাকে উত্ত্যক্ত করে একই গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসীর আব্দুল কাদেরের ছেলে সবুজ খান। ইভটিজিংয়ের বিষয়টি সবুজের পরিবারকে বারবার অবগত করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত বুধবার (১৭ মে) দুপুরে সবুজ খান, রিপন, শুভ ও ইমন লাঠিসোটা ও হাতুড়ি দিয়ে জাকারিয়ার ওপরে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় হাতুড়ি দিয়ে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
.png)
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ সময় জাকারিয়ার মাথায় ১২টি সেলাই দেওয়া হয়। পরে জাকারিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে জাকারিয়া হাসপাতালে আছে।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী জানায়, স্কুলে যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা প্রতিদিনই তাকে ইভটিজিং করে। তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিত। বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে, তার বাবা এর প্রতিবাদ করতে গেলে বাবাকে হাতুড়ি ও রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছেন।
সয়দাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবীদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ওই স্কুল শিক্ষার্থীর পরিবার আমাকে অবগত করেছে। জাকারিয়া সুস্থ হলে দু’পক্ষের মুরুব্বীদের সঙ্গে নিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে নেয়ার কথা বলেছি। একইসঙ্গে এর উপযুক্ত বিচারও করা হবে।
এ বিষয়ে সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।