ঘটনাটি ঘটেছে আমের রাজধানীখ্যাত জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে। শুক্রবার সকালে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন গ্রাম থেকে স্বল্পমূল্যে বিক্রি হওয়া আমগুলো কিনে বস্তাভর্তি করে আড়তে নেয়ার পর পাঠানো হচ্ছে ঢাকায়।
জানা যায়, ঝরে পড়া আম কিনে সদর উপজেলার মহিপুর বাজার, শিবগঞ্জের চককীর্তি, নাচোলের মল্লিকপুর, গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের মকরমপুর ব্রিজ, কাঞ্চনতলা, বোয়ালিয়া বাজার, ঘাটনগর ও মিনিবাজার মোড়ে গ্রামে এনে জড়ো করেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। এরপর বস্তায় ভর্তি করে ট্রাকযোগে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে নেয়া হচ্ছে এসব আম।
.png)
রাইসুল ইসলাম বলেন, ঝড়ের সময় প্রায় তিন বস্তা আম কুড়িয়েছিলাম। পরে তিন টাকা কেজি দরে আমগুলো বিক্রি করেছি।
খাইরুল ইসলাম বলেন, আমি ৭ মণ আম কুড়িয়েছিলেন। পরে পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে ৩-৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি।
তবে আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, জেলাজুড়ে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি হয় বুধবার রাতে। ওই সময় গাছ থেকে ব্যাপক অপরিপক্ব আম ঝরে পড়ে। এসব আম গ্রামের মানুষজন বাগান থেকে কুড়িয়ে ৩-৫ টাকা দরে বিক্রি করছে। তবে ফজলি আম ৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও ক্ষীরশাপাত, বোম্বাই ও বিভিন্ন গুটি জাতের আম ৩-৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৭ হাজার ৮৫৫ হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। এ বছর আমের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ২৫ হাজার টন। আর গত বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৭১৬৫ হেক্টর জমিতে আমের চাষাবাদ হয়েছে।