মঙ্গলবার (১৬ মে) চকরিয়া থানায় ইসহাকের ছেলে কামাল হারুন ও তার স্ত্রী সোমা আক্তারের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো দুজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন ওই শিশুর বাবা ছৈয়দ নূর।
নিহত শিশু মিফতাহ মণি মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গায় ছৈয়দ নূরের মেয়ে। দেড় বছর মহেশখালীর গোরকঘাটার সিকদার পাড়ার বাসিন্দা রশিদ বহদ্দারের মাধ্যমে ওই কিশোরীকে গৃহকর্মীর কাজে নিয়ে যায় হারুন ও তার স্ত্রী সোমা।
.png)
বুধবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী।
জানা যায়, গত ১০ মে মিফতাহ মণি নামে ওই গৃহকর্মী চকরিয়া কাকারার হাজিয়ান পাড়ার জনৈক হারুনের বাড়িতে হত্যার শিকার হয়। পরে তার লাশ রাখা হয় ফ্রিজে। এরপর কিশোরীর পরিবারকে জানানো হয় ডায়রিয়ার কারণে ওই গৃহকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। পরে বিষয়টি ওই গৃহকর্মীর পরিবারে জানাজানি হলে মহেশখালীতে তার মরদেহ এনে অ্যাম্বুলেন্সে রেখে বাড়ির মালিক হারুন ও তার স্ত্রী সোমা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন মিফতাহ’র পরিবার। এ সময় তারা ওই কিশোরীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন এবং মৃত্যুর পরবর্তী তার মরদেহ ফ্রিজে রাখার আলামত পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে শারিরীক নির্যাতন করে এই শিশু গৃহকর্মীকে হত্যা করে ফ্রিজে রেখে দিয়েছিলেন হারুন ও সোমা।
পুলিশ জানায়, বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ। তদন্ত করে যথাযত ব্যবস্থা নেয়া হবে।