নিহত শরিফা খাতুন সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর ছাবানিয়া গ্রামের মৃত আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী।
নিহতের স্বজন মুনজুর আলী বলেন, মঙ্গলবার সন্তান সম্ভবা শরিফা খাতুনের আল্ট্রাসনোগ্রাম করলে দেখা যায় গর্ভে থাকা ছেলে সন্তান মৃত রয়েছে। তাই দ্রুত অপারেশন করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
.png)
মঙ্গলবার দুপুরে সিটি ক্লিনিক অপারেশন সম্পন্ন হয়। এ সময় মৃত ছেলে ও জীবিত মেয়ে জন্ম হয়। জন্মের কয়েক ঘণ্টা পর মৃত সন্তানের জন্ম দেওয়ার খবরে হার্ট অ্যাটাক করে রাত ১০টার দিকে ক্লিনিকেই মারা যান শরিফা।
বুধবার সকালে ছাবানিয়া গোরস্থানে শরিফা খাতুনের দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় ছেলের দাফন করা হয়। এদিকে, মৃত শরিফা খাতুনের মেয়ে সুস্থ রয়েছে।
সিটি ক্লিনিকের ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান বলেন, যখন আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে দেখলাম যমজ সন্তানের একজন মৃত। তখন তাৎক্ষণিকভাবেই অপারেশনের ব্যবস্থা করা হয়। সন্তান জন্ম দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই হার্ট অ্যাটাকে মায়ের মৃত্যু হয়েছে।