তিনি জানান, বিষয়টি প্রথম নজরে আসে তার প্রতিবেশী ১০ বছরের এক শিশু বেলালের চোখে। গত কয়েকদিন আগে সে পাশের একটি খড়ের গাদার কাছ দিয়ে আসছিল। হঠাৎ দেখতে পায় কোনো মুরগী ডিম দেওয়ার সময় বাসা বেঁধে যেভাবে বসে থাকে, ঠিক সেভাবে বসে আছে একটি লাল মোরগ। এর কিছুক্ষণ পরে তাকে দেখে মোরগটি ওঠে গেলে সে একটি ডিম দেখতে পায়। বাদামী রংয়ের এ ডিমটি ছিল কিছুটা লম্বা ও ছোট আকৃতির।
বিষয়টি জানতে পেয়ে কৌতুহলী মানুষের ভিড় জমে বাড়িতে। তবে এর বাস্তবতা নিয়ে সবার চোখে মুখে ছিল সংশয়। অবিশ্বাস্য বলেছেন সংশ্লিস্ট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলম শফি।
উপজেলা ভেটেনারি সার্জন ডা. আশিকুর রহমান জানন, এটি কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
.png)