ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ, মৃত্যু নিয়ে রহস্য

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:৪৮, ১৫ মে ২০২৩
চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ, মৃত্যু নিয়ে রহস্য
ফাইল ছবি

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপ‌জেলার ভারতীয় সীমান্ত থেকে পান্না মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছেন প‌রিবা‌রের সদস্যরা। মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের লোকজনের হাতে হত্যার শিকার হয়েছেন কিনা তা এখনো নি‌শ্চিত হওয়া যায়‌নি।

সোমবার ভোরে উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের হরিহরনগর মাঠ থেকে (ভারতীয় সীমান্ত এলাকা) তার মর‌দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে প্রশাসনকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ, বিজিবি, পিবিআই, সিআইডি, ডিবি, ডিএসবি ও এনএসআইয়ের সদস্যরা পৌঁছান।

পান্নার মা লেকজান বলেন, আমার ছেলে গতকাল রোববার (১৪ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়ির পাশের দোকানে চা খেতে গিয়েছিল। রাতে তার সঙ্গে আমার আর দেখা হয়নি। ভোরে আমি বাড়িতে কান্নাকাটি শুনে ঘুম থেকে উঠি। তখন নাতজামাই আমাকে বলেন, আমার ছেলে মরে গেছে। তার নাক ও কান কেটে নেয়া হয়েছে। পেটে গুলির চিহ্ন রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। 

Advertisement

এ বিষয়ে সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিল্টন মোল্লা বলেন, এখনো পান্নার মৃত্যুর রহস্য জানা যায়নি। রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে প্রশাসন। 

সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) জাকিয়া সুলতানা বলেন, তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনই কিছু জানাতে পারব না। মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তার মৃত্যু হতে পারে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে সময় লাগবে।

এ বিষয়ে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির পরিচালক লে. কর্নেল মাসুদ পারভেজ রানা বলেন, পান্নার মরদেহ পরিবারের সদস্যরা জিরো পয়েন্টের ৭০০ গজ ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে হত্যা করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!