সোমবার সকালে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে কালেক্টরেট পার্কের উন্মুক্ত স্থানে এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, জেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর যৌথভাবে এবারই প্রথম এমন ভিন্নধর্মী আয়োজন করে মানুষের মাঝে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
.png)
আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানান, বিশ্বব্যাপী সাতক্ষীরার সু-স্বাদু আমের বিভিন্ন প্রজাতি ছড়িয়ে দিতে এ আয়োজন। আর আগত দর্শনার্থীরা বলছেন, এর আগে ১০-১২ প্রজাতির আম তারা দেখেছেন। এমন ৩৩ প্রজাতির আম আগে কখনো তারা দেখেননি।
দর্শনার্থীদের দাবি, আগামী দিনগুলোতে রাসায়নিক মুক্ত এবং পরিপক্ষ আম জেলা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ও দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশে রফতানি করা সম্ভব হয় সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। প্রদর্শনী শেষে উক্ত আম দিয়ে জুস বানিয়ে আগত অতিথি ও দর্শনার্থীদের খাওয়ানো হয়। পাশাপাশি আমের বিভিন্ন ধরনের চাটনি প্রদর্শন করা হয়।
আম উৎসবে সংগৃহীত আমের মধ্যে রয়েছে, হিমসাগর, ম্যাটরাজ তোতা, কাঁচা-মিঠা, গোপালভোগ, কৃষাণভোগ, থাইল্যান্ড পাইথন, মিছরিদানা, গৌড়মতি, কাটিমন রেড পালমার, চ্যাটা, মল্লিকা, হাঁড়িভাঙা আম, গোবিন্দভোগ, কিউজাই, ব্রুনাই কিং, রাণীপছন্দ, আম্রপলি, গোলাপখাস, বেলখাস, কালাপাহাড়, ল্যাংড়া, বারি আম ১১, চিয়াংমাই, ছোটসাই, গোলাপীধোপা, সীতাভোগ, ব্যানানা ম্যাংগো, মিয়াজাকি (সূর্যডিম), বোম্বাই, ফজলি প্রমুখ।