সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করছেন বিআডাব্লিউটিএ চাঁদপুর বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে লঞ্চ চলাচলের সিদ্ধান্ত হওয়ার পর চাঁদপুর ঘাটে মাইকিং করে ঘোষণা হচ্ছে। বিষয়টি লঞ্চ মালিক পক্ষকেও জানানো হয়েছে।
.png)
সকাল ১০টার দিকে লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, লঞ্চ চলাচলের ঘোষণা করা হলেও ঘাটে যাত্রী সংখ্যা কম। লঞ্চগুলো সিডিউল ঠিক নেই। ঘাটে এমভি আব এ জম জম-১, এমভি সোনার তরী-৩, এমভি সোনার তরী-৪ অবস্থান করছে। পর্যায়ক্রমে সিডিউলের লঞ্চগুলো ঘাটে আসছে।
ঘাটে দায়িত্বরত ট্রাফিক পরিদর্শক আবদুর রহমান জানান, যাত্রী এলে চলাচলে কোনো সমস্যা হবে না। কারণ একাধিক লঞ্চ ঘাটে অবস্থান করছে। সকাল ১১টার দিকে আব এ জম জম-১ লঞ্চটি সদর ঘাটের উদ্দেশ্যে চাঁদপুর থেকে ছেড়ে যায়।
এর আগে ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব থাকায় গত শুক্রবার দিনগত রাত সোয়া ১০টায় চাঁদপুর থেকে সব রুটের লঞ্চ ও নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
এদিকে সোমবার ভোর ৬টা থেকে চাঁদপুর-শরীয়তপুর রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিআইডাব্লিউটিসি হরিণা ফেরিঘাটের সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব) ফয়সাল আলম চৌধুরী।