রোববার সকাল থেকে মেঘলা আকাশ ও ভ্যাপসা গরম পড়ছে। ফলে ভ্যাপসা গরমে জনজীবন হয়ে পড়ছে বিপর্যস্ত। সব মিলিয়ে এখানে একটা গুমোট আবহাওয়া বিরাজ করছে। কঁচা বলেশ্বর কালিগঙ্গাসহ বিভিন্ন নদীর পানি এক থেকে দেড় ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা বাড়ছে উপকুলীয় জেলা পিরোজপুরের নদীপাড়ের ৫ লক্ষাধিক মানুষের মধ্যে।
জেলা ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা মঠবাড়িয়ার মাঝেরচর, বড়মাছুয়া, সাপলেজা এবং ইন্দুরকানী উপজেলার সাঈদখালী চর এলাকায় মানুষের মধ্যে অনেকটাই আতঙ্ক বিরাজ করছে। এছাড়াও ভান্ডারিয়া ও কাউখালী উপজেলার নদীতীরবর্তী এলাকায় একই অবস্থা বিরাজ করছে। এসব এলাকার অনেকেই সাইক্লোন সেল্টারে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে জেলা প্রশাসন উপকূল এলাকার মানুষদের সরিয়ে নিতে চেষ্টা করছে।
.png)
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় জেলার ৭টি উপজেলায় ৪১১ টি প্রস্তত রয়েছে। এসব সাইক্লোন শেল্টারে প্রায় ২ লাখ লোক আশ্রয় নিতে পারবে। ৭ উপজেলায় ৬৩ টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও সিপিবির ১৭০০ এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ৩৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তত রাখা হয়েছে। এসব স্বেচ্ছাসেবকরা উপকূল এলাকায় মাইকিং করাসহ তাদের কার্যক্রম অনেকটাই শুরু করেছে।
তবে নদী পাড়ের মানুষের মাঝে ভয় কাছ করছে টেকসই বেড়ি বাঁধ না থাকায়। জেলায় প্রায় ১৪৪ কিলোমিটার ভেড়িবাঁর অরক্ষিত রয়েছে। তাই আতঙ্কের মধ্যে আছে উপকূল এলাকার মানুষজন। স্থানীয়রা জানিয়েছে উপকূলীয় এলাকায় মানুষের তুলনায় আশ্রয়নকেন্দ্র কম। এছাড়া অনেক আশ্রয়কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। সেখানে নেই বিদ্যুৎ ও পানির সু ব্যবস্থা।