এটি সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে অবস্থান করছিল। এটি বর্তমানে কক্সবাজার-উত্তর মায়ানমার উপকূল অতিক্রমরত আছে। এটি আরো উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে রোববার বিকেল নাগাদ সিটুয়ের (মিয়ানমার) নিকট দিয়ে কক্সবাজার-উত্তর মায়ানমার উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
তবে এবার ভিন্ন অবস্থা দেখা গেছে খুলনার উপকূলে। আকাশে রোদের ঝলকানি আর মেঘের আনাগোনা থাকলেও এখনো বৃষ্টি শুরু হয়নি। প্রতি বছর ঘূর্ণিঝড় এলেই সুন্দরবনের উপকূলীয় এলাকায় এক দিন আগেই বৃষ্টি শুরু হয়। তবে রোববার বিকেলে বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন খুলনা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ সিনিয়র আবহাওয়াবিদ মো. আমিরুল আজাদ।
.png)
তিনি বলেন, খুলনার উপকূলে রোদ আছে, সেইসঙ্গে মেঘও। মাঝেমধ্যে আকাশ মেঘলা হচ্ছে। এই মেঘ, এই রোদ এভাবে চলবে। বিকেলের দিকে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে সভা করা হয়েছে। জেলার ৪০৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৮৫০ জন আশ্রয় নিতে পারবে। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা মানুষদের জন্য শুকনা খাবার, পানি, শিশুখাদ্য ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একইসঙ্গে গবাদিপশু রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১১৬টি মেডিকেল টিম রয়েছে। খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণকক্ষ। কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য বিভাগকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও কোস্টগার্ড ।