শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়ে। মৃত সীমা খাতুন একই এলাকার জহুরুল ইসলামের স্ত্রী।
সীমা খাতুনের ননদ আকলিমা খাতুন জানান, তার বড় ভাই জহুরুল ইসলাম নিয়মিত নেশা করতেন। এ নিয়ে পরিবারের সঙ্গে প্রায়ই গোলমাল হতো। এরই জেরে গত এক মাস আগে তার ভাই জহুরুল ইসলাম জেলা শহরের আরাপপুর ধোপাপাড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন। শনিবার দুপুর ২টার দিকে সীমা খাতুনকে ভাই ইট দিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন জহুরুল। পরে স্থানীয়রা সীমা খাতুনকে হাসপাতালে ভর্তি করলে সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।
.png)
ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মুসলিমা জিনাত রহমান জানান, সীমা খাতুনের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে মাথায় আঘাতের কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।
সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।