কক্সবাজার হোটেল মোটেল অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কলিম উল্লাহ বলেন, দুর্যোগকালীন সময়ে যারা ভ্রমণ বাতিল করেছেন তারা সুবিধাজনক যেকোনো সময়ে এসে বুকিং দেওয়া হোটেলে এসে উঠতে পারবেন। আর যদি বুকিং বাতিল করেন তাহলে অগ্রিম প্রদান করা টাকা ফেরত পাঠানোর নিয়ম রয়েছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার গেস্ট হাউস রেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম সিকদার বলেন, দুর্যোগকালীন সময়ে পর্যটকদের আমরা বিনা পয়সায় সেবা দিয়ে থাকি। এমনকি করোনার সময় লকডাউন, হরতাল অবরোধের সময়ে অসংখ্য পর্যটককে থাকা খাওয়া থেকে শুরু করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস রেস্ট হাউস মালিক সমিতির পক্ষ থেকে যাবতীয় ব্যয় ভার বহন করা হয়।
.png)
এমনকি গত মৌসুমে বিরূপ আবহাওয়ার সময় সেন্টমার্টিনে আটকা পড়া পাঁচ শতাধিক পর্যটককে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের সহযোগিতায়। এবারও যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে কোনো পর্যটক কক্সবাজারে আটকা পড়েন তাদের জন্যও একই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান জানান, কক্সবাজারে এখন সীমিত পরিসরে পর্যটক রয়েছেন। তবে বিচে না নামতে বলা হচ্ছে তাদের। বিচের ছাতা, চেয়ার, ঘোড়ার বিচরণ, বিচবাইক ও জেডসকিসহ সব ব্যবসায়ীদের বিচ থেকে তুলে নিয়ে আসা হয়েছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানান, কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে কক্সবাজার উপকূল থেকে ৮৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে রয়েছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। এ সময়ে সবাইকে নিরাপদে থাকতে হবে বলেও জানান তিনি।