শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পূর্বিতা চাকমা ও পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহ। এ সময় তারা ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিকভাবে কাপড় দিয়ে সহযোগিতা করেন।
ইউএনও বলেন, ঘুমিয়ে থাকায় কেউ জিনিসপত্র বের করতে পারেননি। এ কারণে কারো কারো টাকাও পুড়ে গেছে। সবাই প্রাণ নিয়ে দৌড় দিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতদূর সম্ভব অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করা হবে।
.png)
বাইম্যাখালী এলাকার বাসিন্দা আনছার উদ্দিন বলেন, মোহাম্মদ সোহেলের মুদি দোকানের মাল্টিপ্লাগ থেকে আগুনের সূত্রপাত। যখন আগুন লাগে, তখন সবাই ঘুমেছিলেন। এ কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেড়েছে।
অগ্নিকাণ্ডে স্থানীয় কামাল হোসেন, আকতার হোসেন, আছত আলী, নেজাম উদ্দিন, জসিম উদ্দিন, আজিম উদ্দিন, মো. শুক্কুর, কফিল উদ্দিন, মোজাহের ইসলাম, আবদুর রহিম বাদশাহ ও মোহাম্মদ সোহেলের বসতঘর পুড়ে গেছে। এছাড়া সোহেলের একটি মুদি দোকানও পুড়েছে।