মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের পোদ্দার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নোমান ঘটনাস্থলেই মারা যায়। রাকিব ইমামকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যায় সে।
বিষয়টি নিশ্চিত করছেন জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ কে এম সালাউদ্দিন টিপু।
.png)
নিহতদের মরদেহ লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহত নোমান বশিকপুর ইউনিয়নের ঊষারকান্দি এলাকার হাজী আবুল কাশেমের ছেলে। এবং আঁকিব ইমাম একই ইউনিয়নের নন্দী-গ্রামের রফিক উল্লাহর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ৯ টার দিকে বশিকপুর বাজারের পশ্চিমপাড় এলাকায় টানা ২০ মিনিট গুলির শব্দ শুনতে পায়। এসময় কেউ সামনে যেতে চাইলেও যেতে দেয়নি সন্ত্রাসীরা। গুলি করে চলে যাওয়ার পর নোমানের মরদেহ দেখতে পায় এসময় ইমামকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
যুবলীগ নেতা নোমানের বড় ভাই ও বশিকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান জানান, স্থানীয় সন্ত্রাসী কাশেম জিহাদীর বাহিনী তার ভাই নোমাকে গুলি করে হত্যা করেছে। কাশেম জিহাদীর উপদেষ্টা তারেক আজিজ কথা আছে বলে নোমানকে ফোন করে নিয়েছে। কাশেম জিহাদীর বাহিনীর মোটা বাবুল, নিশান, শরীফ, জসিম, দেওয়ান ফয়সাল সহ এই হত্যার সাথে জড়িত। তারা গুলি করে নোমান ইমামকে হত্যা করে।
প্রায় শতাধিক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল।
এদিকে খবর পেয়ে সদর হাসপাতালে ছুটে আসেন আওয়ামীলীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতা কর্মীরা। পরে হত্যাকারীদের বিচার চেয়ে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে তারা।