ব্যস্ততম সেই ঘাটে এখন নেই চিরচেনা যানজট। ভোগান্তি ছাড়াই সরাসরি ফেরিতে উঠতে পারছে যানবাহন। স্বস্তিতে ঘরে ফিরছে ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষ।
বৃহস্পতিবার ঘাট এলাকায় দেখা যায়, ফেরিঘাটের যাত্রী ও যানবাহনের চাপ তেমন নেই। তবে লঞ্চঘাটে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের একটু বাড়তি চাপ। এবারের ঈদে কোনো প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই এই নৌ-রুট দিয়ে পারাপার হচ্ছে যাতায়াতকারী যানবাহন ও যাত্রীরা।
.png)
ঘাট সংশ্লিষ্টরা জানান, এবারের ঈদযাত্রায় যাত্রী ও যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন করতে ২০টি ফেরি ও ৩৩টি লঞ্চ চলাচল করছে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে। সেই সঙ্গে ঘাটকে যানজটমুক্ত রাখতে ঈদের আগে তিনদিন ও পরের তিনদিন ট্রাক পারাপার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঘরমুখো মানুষ যেন স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পারেন সে জন্য নানা উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যাত্রা পথে ভোগান্তি, যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করা, সড়কে যানজট নিরসনসহ ঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক কঠোর নজরদারি করছে প্রশাসন।
রাজধানী ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরা লঞ্চের যাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, লোকাল বাসে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই পাটুরিয়া ঘাট পর্যন্ত এসে লঞ্চে নদী পার হয়েছি। ভেবেছিলাম ঘাটে অনেক যানজট হবে নদী পার হতে বসে থাকতে হবে। কিন্তু ঘাটে এসে কোনো অপেক্ষা করতে হয়নি। সরাসরি লঞ্চে নদী পার হয়ে এপারে চলে এসেছি।
দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জে এম সিরাজুল কবির বলেন, পবিত্র ঈদে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীতে রয়েছে নৌ-পুলিশের টহল। আমরা ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঘাট এলাকার টহল জোরদার করেছি।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. সালাউদ্দিন বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে ২০টি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষ যেন কোনো প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই স্বস্তিতে বাড়ি পৌঁছাতে পারেন সে ব্যাপারে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছি।