সরেজমিনে পৌর শহরের সড়ক বাজার গিয়ে দেখা যায়, টুপি আতরের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়। দোকান মালিকরাও দেশি-বিদেশি ডিজাইনের টুপি এবং বিভিন্ন ফুল ও ফলের ফ্লেভার সমৃদ্ধ আতর তুলেছেন। এদিকে মার্কেটের পাশাপাশি ফুটপাতে বসা অস্থায়ী টুপির দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। চলছে কেনাবেচা।
দোকানিরা হাতের কাজ করা গোল টুপি ২০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকা বিক্রি করছেন। এছাড়া বিভিন্ন ডিজাইনের বাহারি রঙের টুপির ১৫০-৩০০ টাকা বিক্রি করছেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সুগন্ধি আতরের মধ্যে জান্নাতুল ফেরদৌস, জেসমিন, রোজ ও দিলরুবা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৫৫০ টাকায়, এরাবিয়ান বেলি ১১০০-১৩০০ ও বেলি ৪০০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি আতরের মধ্যে হাসনাহেনা, রজনীগন্ধা, গোলাপ, বেলি ও নাইট ফ্লাওয়ার বিক্রি হচ্ছে ২০০-৫০০ টাকায়।
.png)
টুপি বিক্রেতা কবির মিয়া বলেন, সারা বছর আতর-সুরমার তেমন চাহিদা না থাকলেও ঈদের সময় ওইসব বিক্রি বেশি হয়। তাছাড়া তার এখানে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ডিজাইনের টুপি ও আতর রয়েছে। ঈদ পোশাক কেনাকাটার শেষ দিকে হওয়ায় এখন টুপি আতর লোকজন ক্রয় করছেন। গত কয়েক দিন ধরে বিক্রি ভালো হচ্ছে।
দোকানি মো. মহসিন মিয়া জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে প্রচুর টুপি ও আতরের চাহিদা রয়েছে। তার দোকানে বিদেশি টুপির চেয়ে দেশীয় সুতি ও নেট টুপি বেশি বিক্রি হচ্ছে। আর আতরের মধ্যে রজনীগন্ধ্যা, বেলি ও আতর বেশি বিক্রি হচ্ছে। রমজানের শুরু থেকেই ভালো টুপি বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা মো.আল-আমিন মিয়া বলেন, ছেলের জন্য শার্ট, পেন্ট ও পাঞ্জাবী কিনেছি। এখন বাকী রয়েছে টুপি। তাইি একশ টাকা করে দুটি টুপি কিনলাম।