মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন লবণচরা থানার ওসি মো. এনামুল হক। এর আগে সোমবার মহানগরীর জিরোপয়েন্ট এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সাব্বির, সজীব, রহিম ও স্বপন। তারা সবাই ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য বলে জানা গেছে।
.png)
লবণচরা থানার ওসি মো. এনামুল হক বলেন, গ্রেফতার হওয়া প্রথম ৪ জন ইজিবাইকে করে লবণচরা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে থাকেন। এটা দেখে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। তখন তাদের আটক করে থানায় নেয়া হয়। এ সময়ে তাদের থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সাম্প্রতিক সময়ে লবণচরা এলাকায় ইজিবাইকচালক রাফি হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। হত্যাকাণ্ডের পর রাফির ইজিবাইকটি পার্ট পার্ট করে বটিয়াঘাটা এলাকায় বিক্রি করে দেন। ইজিবাইকের ব্যাটারিও উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যাটারি ক্রেতা আরিফ শেখকে নগরীর ডালমিল এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ তাজুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতার হওয়া সবাই ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। রাত হলেই তারা ইজিবাইক ছিনতাইয়ের জন্য রাস্তায় বের হন। সোমবার রাতে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের জন্য একটি ইজিবাইকে চড়ে ঘুরছিল। কিন্তু আমাদের পুলিশের তৎপরতার কারণে তাদের মিশন সফল হয়নি। পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে থানায় নেয়ার পর ইজিবাইক ছিনতাই ও রাফি হত্যার জট খোলে। রাফি হত্যাকাণ্ডটির রহস্য উন্মোচনের জন্য পুলিশ যখন আপ্রাণ চেষ্টা করছিল ঠিক তখনই তারা পুলিশের কাছে ধরা দেন।