নিহত আব্দুস সামাদ (৩৫) মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার মৌসা গ্রামের তোয়াফ মোল্যার ছেলে। আহতদের মধ্যে যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন, মাগুরার শালিখা উপজেলার পিয়ারপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে নাজমুল (৩০) এবং শ্রীপুর উপজেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের বাবর আলীর ছেলে ফারুক হোসেন (৩৮)। নিহত ও আহতরা সবাই বাসের যাত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, যশোর থেকে ছেড়ে যাওয়া মাগুরাগামী যাত্রীবাহী বাস সকাল ৭টার দিকে বাঘারপাড়ার রাঘবপুর এলাকায় পৌঁছায়। ওই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা মাছভর্তি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০/১২ জন যাত্রী আহত হন। এরমধ্যে গুরুতর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুস সামাদ নামে একজন মারা যান। আহত অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। খবর পেয়ে বারোবাজার হাইওয়ে থানা-পুলিশ গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে নিলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
.png)
বারোবাজার হাইওয়ে থানার ওসি মনজুরুল আলম জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি তাদের হেফাজতে রয়েছে। ট্রাকটি স্থানীয় শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা মাগুরায় আটকে রেখেছে বলে শুনেছেন। সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।