বুধবার দুপুরে এ রায় দেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক। তবে রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন আসামি। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. শফিকুল কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলায় ইউনিয়নের আমাটি শিবপুর এলাকার মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে। নিহত শামীম একই এলাকার মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমার ফারুক সঞ্জু।
.png)
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রিকশায় দুলাভাই ফারুক হোসেনকে বাড়িতে রেখে নিজ বাড়ি যাচ্ছিলেন শামীম। পথে আবির হোসেন জনি, মো. আলামীন, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. সাজনসহ কয়েকজন শামীমের পথরোধ করেন। এরপর মুখ-চোখ এবং হাত পেছনে বেঁধে মারধর করেন। একপর্যায়ে শামীমের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে শামীমের শরীর পুড়ে যায়। আগুনে পোড়া শরীর নিয়ে খাদের পানিতে লাফ দেন শামীম।
শামীম চিৎকার করতে থাকলে পালিয়ে যান তারা। এ সময় শামীমকে উদ্ধার করে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে স্থানীয়রা। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে রাত সোয়া ২টার দিকে মারা যান শামীম।
এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন নিহত শামীমের চাচা মো. মানিক। কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মোরশেদ জামান ২০১৬ সালের ২৫ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বুধবার এ রায় দেন আদালত।