সদর থানার ওসি বছির আহমেদ বাদল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে একটি ইউডি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তারা উভয়েই বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে তারা আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি কীটনাশকের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। রহস্য উদঘাটনে দু’জনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তবে স্থানীয় একটি সূত্রে জানা গেছে, অবস্থাসম্পন্ন সামছুল হক তার ছেলে ব্যবসায়ী রফিক মিয়াকে তার সমস্ত জমা-জমি অনেক আগেই লিখে দিয়েছেন। কিন্তু সম্প্রতি পুত্রবধূর সঙ্গে সামছুল মিয়ার স্ত্রী ছয়রা বেগমের বনিবনা হচ্ছিল না। এ নিয়ে পারিবারিক কলহ চলছিল। সোমবারও শাশুড়ি-পুত্রবধূর মাঝে কথা-কাটাকাটি হয়।
.png)
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুবকর সিদ্দিক বলেন, আমরা ঘটনাস্থল থেকে একটি বিষের বোতল উদ্ধার করেছি। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একটু ঝামেলা ছিল। এছাড়া তার একমাত্র ছেলে আমাদের জানিয়েছেন, তার বাবা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। আমাদের একাধিক ইউনিট বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।