সাগর জোমাদ্দার বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মোতাহার জোমাদ্দারের ছেলে আর মোজাম্মেল হোসাইন পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ছৈলাবুনিয়া গ্রামের মৃত আজিজ মৃধার ছেলে। তারা সম্পর্কে শ্যালক দুলাভাই।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার তারা সৌদির আলগাছিমের উনাইযা থেকে মদিনায় মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করতে যান। রওজা শরিফ জিয়ারত শেষে শনিবার রাতে মক্কার উদ্দেশে রওনা হন তারা। এ সময় তাদের গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাথরের পাহাড়ের সঙ্গে ধাক্কা লগে। এতে ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হন।
.png)
সদ্য প্রয়াত সাগর জোমাদ্দার ও মোজাম্মেল হোসাইন সৌদি আরবেই থাকতেন। সাগর জোমাদ্দারের বড় ভাই উজ্জল জোমাদ্দার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তাদের মরদেহ বর্তমান সৌদি আরবের একটি সরকারি হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুজনের মরদেহ বাংলাদেশে আনার চেষ্টা চলছে। এদিকে মৃত্যুর খবর তাদের নিজ নিজ এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতদের বড় ভাই উজ্জ্বল জোমাদ্দার বলেন, শনিবার ওমরাহ শেষে ফেরার পথে ছোট ভাই ও দুলাভাই সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যায়। তাদের হারিয়ে আমরা মামা-বাবা ও স্বজনরা পাগলপ্রায়। এখন তাদের লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগীতা কামনা করছি।
বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সুহৃদ সালেহীন বলেন, নিহত দুই হজ্বযাত্রীর লাশ বাংলাদেশে আনার ক্ষেত্রে সৌদি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সরকারের পক্ষ থেকে সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।