রোববার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মেজবাহুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, শনিবার দুপুরে জলঢাকার উপজেলার কৈমারী ইউপির কোটিপাড়া এলাকার এক কিশোরী পেটে ব্যথা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে আসেন। পরে জরুরি বিভাগে কিছু না বলে টয়লেটে চলে যান মা। টয়লেটেই একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেয় ওই কিশোরী মা। সেই কিশোরী অবিবাহিত হওয়ায় পরিবারের লোকজনের কাছে তার নবজাতকের বাবার পরিচয় কি দেবেন, এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজে না পেয়ে সন্তান প্রসবের পরপরই সটকে পড়েন তিনি। কিছুক্ষণ পর সেখানে বাচ্চার কান্নার শব্দ হলে লোকজনের জড়ো হতে থাকে। পরে হাসপাতালে সিনিয়র নার্স ও দায়িত্বরত চিকিৎসকরা শিশুটিকে উদ্ধার করেন।
.png)
মেজবাহুর রহমান জানান, শনিবার দুপুরে এক কিশোরী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন। কিন্তু ওই সময় ভর্তি না হয়ে জরুরি বিভাগের টয়লেটে চলে যায়। সেখানে প্রসবের পর বাচ্চা রেখে পালিয়ে যায়। পরে সেখানে থাকা লোকজনের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে বাচ্চাটিকে আমরা উদ্ধার করি।
হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু হাসান ডা. আবু রেজওয়ানুল কবির জানান, শনিবার দুপুরে উদ্ধার হওয়া বাচ্চাটি বর্তমানে সুস্থ আছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। হাসপাতালে সিসিটিভি রয়েছে, সিসিটিভি চেক করলে বাচ্চাটির মায়ের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে।