দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার সহকারী পরিচালক তরুণ কান্তি ঘোষ বাদী হয়ে সোমবার মামলাটি দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাও নিযুক্ত করা হয়েছে তাকে।
মামলার বাদী জানান, ফার্মাসিস্ট সুধাশু শেখর বাড়ই (৫২) ও তার স্ত্রী তুলসী রানী বাড়ই দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৯ লাখ ১২ হাজার ৮২৩ টাকার অবৈধ সম্পদ গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান এবং ১ কোটি ৫২ লাখ ৮০ হাজার ৬৭৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ অবৈধ আয়ের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ তার স্ত্রী তুলসী রানী বাড়ইয়ের অনুকূলে হস্তান্তর করেছেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
.png)
মামলার বিবরণে জানা যায়, আসামি সুধাংশু শেখর বাড়ই তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৬২ লাখ ৬৬ হাজার ৮২০ টাকার স্থাবর এবং ৭ লাখ ৫৫ হাজার ৭৮১ টাকার অস্থাবরসহ সর্বমোট ৭০ লাখ ২২ হাজার ৬০১ টাকার সম্পদ প্রদর্শন করেছেন। কিন্তু সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে তার নামে স্থাবর ও অস্থাবরসহ সর্বমোট ১ কোটি ৯৯ লাখ ৩৫ হাজার ৪২৪ টাকার সম্পদ পাওয়া যায়। তিনি ১ কোটি ২৯ লাখ ১২ হাজার ৮২৩ টাকার অবৈধ সম্পদ গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করেছেন।