প্রতিষ্ঠানটির সত্ত্বাধিকারী আব্দুল কাইয়ুম জানান, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি তরমুজের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। চাহিদা বিবেচনা করে তরমুজ রফতানির উদ্যোগ নেয়া হয়। বগুড়ার শিবগঞ্জের চাষিদের কাছ থেকে এসব তরমুজ সংগ্রহ করা হয়। প্রথমবার রফতানি করা এ চালান থেকে প্রায় চার হাজার ডলার আয় করা সম্ভব হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের সংগনিরোধ রোগতত্ত্ববিদ সৈয়দ মুনিরুল হক জানান, যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে তরমুজ রফতানি প্রথম চালান মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছে। এর আগে কখনো তরমুজ রফতানি হয়নি। এর মাধ্যমে দেশের তরমুজ রফতানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
.png)