গ্রেফতারকৃতদের সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আসামিরা হচ্ছেন নিহত মুক্তা আক্তারের শ্বশুর মো. পলাশ মণ্ডল, শাশুড়ি আকলিমা খাতুন ও দেবর বাদল মণ্ডল।
জানা যায়, উপজেলার জয়মন্টপ পূর্ব ভাকুম গ্রামের সুরুজ পাট্রাদারের মেয়ে মুক্তা আক্তার ছয় বছর আগে বিয়ে করে চর উলাইল গ্রামের পলাশ মণ্ডলের ছেলে রাজু বয়াতিকে। তাদের ঘরে একটি সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই মুক্তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছে।
.png)
এক পর্যায়ে মানসিক নির্যাতন করলে স্বামীর বাড়ি থেকে গত ৮ মার্চ মুক্তা বাবার বাড়ি চলে আসেন। ঘটনার দিন রোববার সকালে রাজু তার মা-বাবার পরামর্শে মুক্তার বাবার বাড়ি এসে আবারো যৌতুক দাবি করেন। দুপুরের দিকে মুক্তার মা রৌশন আরা বাড়ির বাইরে গেলে রাজু মুক্তার গলা চেপে ধারালো চাকু দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায়।
গুরুতর জখম অবস্থায় মুক্তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডা. তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিংগাইর থানার উপ পরিদর্শক লিবাস চক্রবর্তী বলেন, এ ব্যাপারে নিহত মুক্তার মা রৌশন আরা রোববার রাতে বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। রাতেই পুলিশ প্রধান আসামির মা বাবা ও ভাইকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়।