সোমবার সকালে তাহমিনা আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে, রোববার রাত ১১টার দিকে নাসিরনগর উপজেলার পূর্বভাগ ইউপির চান্দের পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত সাইম নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ ইউপির নূরপুর গ্রামের মো. খোকন মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, প্রায় ১১ বছর আগে তাহমিনার সঙ্গে খোকন মিয়ার মধ্যে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। এরই মধ্যে তাদের ঘরে চারটি সন্তান আসে। সবশেষ ছোট ছেলে সাইম জন্ম নেয়ার পর তার নাম রাখার সময় খাবারের আয়োজন করেন খোকন মিয়া। কিন্তু তাহমিনার বাবার বাড়ির কম লোকনজনকে দাওয়াত দেন খোকন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য হয়। এ ঘটনার পরের দিন রাগ করে বাবার বাড়ি পূর্বভাগ ইউপির চান্দের পাড়া গ্রামে চলে যান তাহমিনা। সেখানে এসে খোকনকে ফাঁসানোর ফন্দি করেন তাহমিনা।
.png)
এরপর রোববার রাত ১১টার দিকে শিশু সাইমকে বাড়ির পাশের পুকুরে ফেলে দেন তাহমিনা। ঐদিন রাতেই তাহমিনা পাড়ার সবাইকে বলতে থাকেন খোকন এসে তার শিশু সন্তান সাইমকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। পরের দিন সকালে স্থানীয়রা পুকুরে গোসল করতে গেলে একটি লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে। একইসঙ্গে তাহমিনাকে আটক করা হয়।
নাসিরনগর থানার ওসি হাবিবুল্লাহ সরকার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাহমিনা আক্তার নিজ শিশু সন্তানকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় তার স্বামী খোকন মিয়া স্ত্রী তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।